খুলনা, বাংলাদেশ | ১৪ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ২৯শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

Breaking News

  ডুমুরিয়া সদর ইউনিয়নের উন্নয়নের প্রত্যয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোল্লা আবরার হোসেন সৈকতের দোয়া ও সমর্থন কামনা
  ১১ বছরের পথচলায় খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়: উৎসবের সঙ্গে নতুন স্বপ্নের অঙ্গীকার
  খর্নিয়া ইউপি নির্বাচন ঘিরে সরগরম রাজনৈতিক অঙ্গন, তৃণমূলের আলোচনায় বিএনপি নেতা শেখ শাহিনুর রহমান
  দাকোপে ৩ দিনের ভারী বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত জনজীবন।
  ডুমুরিয়ার খর্নিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় বি এনপি নেতা আবুল কাশেম
  ‎ডুমুরিয়ায় ভদ্রানদী খননের মাটি বিক্রি সিন্ডিকেট আবারও সক্রিয়, প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন বিদ্ধ জনগণ
  উখিয়ায় ইয়াবাসহ ৪ ভাই-বোন আটক
  দাকোপ উপজেলা নবগঠিত যাত্রা শিল্পী পরিষদের পরিচিতি সভা
  ডুমুরিয়ায় সরকারি রাস্তা দখল করে ভাড়াটিয়া দোকানদারদের পসরা: চরম ভোগান্তিতে চালক ও সাধারণ মানুষ
  তেরখাদায় উন্নয়ন কার্যক্রম পরিদর্শনে এমপি হেলাল, আবনালী বিলে পোনা অবমুক্ত

মাছের ক্ষতরোগে বাড়ছে ঝুঁকি, সচেতনতায় কমানো সম্ভব ক্ষয়ক্ষতি

[ccfic]

নাজমুস সাকিব, খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়:

বাংলাদেশে মাছ চাষের অন্যতম প্রধান প্রতিবন্ধকতা বিভিন্ন সংক্রামক রোগ। এর মধ্যে মাছের ক্ষতরোগ একটি মারাত্মক রোগ, যা অল্প সময়ে ব্যাপক মাছের মৃত্যু ঘটিয়ে খামারিদের বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে ফেলতে পারে।Aphanomyces invadans* নামের জলজ ছত্রাক এ রোগের প্রধান কারণ। পুঁটি, কৈ, শোল, টাকি, শিং, মাগুরসহ বিভিন্ন কার্পজাতীয় মাছ এ রোগে বেশি আক্রান্ত হয়। বিশেষ করে শীত মৌসুমে, পানির তাপমাত্রা ১৮ থেকে ২২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে গেলে, পানির গুণগত মানের অবনতি, পুকুরের তলদেশে অতিরিক্ত জৈব পদার্থ জমা এবং মাছের অতিরিক্ত মজুদের কারণে রোগের প্রকোপ বাড়তে পারে।রোগের প্রাথমিক লক্ষণ হিসেবে মাছের শরীরে ছোট ছোট লাল দাগ, অতিরিক্ত ছুটাছুটি, খাবারে অনীহা ও শরীরের স্লাইম কমে যাওয়ার মতো লক্ষণ দেখা যায়। পরবর্তীতে এসব দাগ গভীর ক্ষতে পরিণত হয়, আঁশ উঠে যায় এবং মাছ দুর্বল হয়ে মারা যেতে পারে।রোগ দেখা দিলে দ্রুত পানির গুণগত মান উন্নত করা, আংশিক পানি পরিবর্তন, অনুমোদিত মাত্রায় লবণ ও জীবাণুনাশক প্রয়োগ এবং আক্রান্ত মাছের চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হবে। পাশাপাশি মাছের বহিঃপরজীবী নিয়ন্ত্রণ ও উচ্চমানের খাদ্য সরবরাহ করা জরুরি।রোগ প্রতিরোধে প্রতি বছর পুকুর শুকিয়ে তলদেশের কালো কাদা অপসারণ, পুকুর প্রস্তুতি সঠিকভাবে সম্পন্ন, পর্যাপ্ত পানির গভীরতা বজায় রাখা, নিয়মিত হররা টানা, পানির গুণগত মান নিয়ন্ত্রণ এবং পর্যাপ্ত অক্সিজেন নিশ্চিত করতে হবে। সর্বোপরি, জৈব নিরাপত্তা ও উত্তম মৎস্যচাষ পদ্ধতি অনুসরণ করলে মাছের ক্ষতরোগের প্রাদুর্ভাব ও আর্থিক ক্ষয়ক্ষতি অনেকাংশে কমানো সম্ভব।

আরও সংবাদ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

©2025 khulnarsamayerkhobor .com

Developed By: ShimantoIT